এখানে নেই কবিতার মশলা
ধু ধু বালিচর, সাগরের জল
একটু নোনতা লাগে, কিন্তু তা দিয়ে তো কবিতা হয়না।
কে যেন বলেছিল মরুর জোছনা বড়ই সুন্দর
অথচ এখনও দেখিনি তা।
কবিতা লিখতে তো মাল মশলা প্রয়োজন।
কি নিয়ে লিখবো কবিতা?
ফিলিপাইনি রমনী নিয়ে কি বাংলাদেশী তরুন কবিতা লিখে?
হয়তো লিখে, কিন্তু আমি পারিনা।
সার সার ছুটে চলা দামী দামী গাড়ি
আর উচু উচু সব দালান কোটা।
আর কাজ করেও বেতন না পাওয়া শত শত
মুটে মজুর এর দল-
এদের নিয়ে তো আর কবিতা হয়না।
এখানে তো মিছিল নেই স্লোগান নেই
আমি কি নিয়ে লিখব কবিতা?
Labels
- জিয়া চৌধুরী'র কবিতা (40)
- আড্ডাবাজি (11)
- তথ্য-প্রযুক্তি (8)
- গল্প-কবিতা (7)
- বাংলার পথে (5)
- জন্মযুদ্ধ (4)
- নিবন্ধ/অনুবাদ (3)
Thursday, 29 July 2010
Wednesday, 21 July 2010
মরুতে বাস (জিয়া চৌধুরীর অনুকাব্য -১)
শুকনো মরুতে বসবাস
জল হীন প্রেম হীন,
শুন্য মরুর বুকে খা খা শূন্য মরুহৃদয়
জলের জন্য অপেক্ষা,
অপেক্ষার জল বড়ই মধুর,
ফয়সল বলে - তুই বালু খাইয়া মর।
জল হীন প্রেম হীন,
শুন্য মরুর বুকে খা খা শূন্য মরুহৃদয়
জলের জন্য অপেক্ষা,
অপেক্ষার জল বড়ই মধুর,
ফয়সল বলে - তুই বালু খাইয়া মর।
Tuesday, 6 July 2010
দ্রোহ এখন নতুন ঠিকানায়
দ্রোহ
আমরা মাড়াতে চাই, অতিক্রমের লক্ষ্যে আমরা শুধু স্বপ্ন দেখি না, স্বপ্নের ক্যাথা ছেড়ে প্রকৃত মাটিতে হাঁটার পর্ব শুরু করি। কাঠামো অবকাঠামোর মধ্যে পচনের ব্যথিতের দায়ভার কাঁধে তুলে নিতে রাজী নই, উৎখাতের নতুন মন্ত্র পড়িয়ে পচন উন্মুখ জাতিকে দিতে চাই শুদ্ধতার স্বাদ। দেয়ালের শ্যাওলার আড়ালে ফর্সা রঙ পুনরায় পাওয়া না গেলে নির্লিপ্ততায় হারিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে চুনকামের নতুন মালমসলা তৈরীতে আমরা মনোযোগী হতে চাই। লেবু চিপসানো তেতো তর্কে না জড়িয়ে আমরা মনুষ্য জিজ্ঞাসার কারণ অনুসন্ধান করে জানাতে চাই অদৃশ্য কোন শক্তি নয়, আমাদের মাঝে লুপ্ত যে শক্তি তাই আমাদের মঞ্জিলে পৌছাবে। মানুষের অস্তিত্বের উপর আস্তা রেখে তাদেরে আমরা বিল্পবের নন্দিত ভাবনায় ভাবিত করাতে চাই।
অতিজাগতিক মোহগ্রস্ততা ত্যাগের বাসনা রাখি। ইন্দ্রিয়জ ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি ভ্রমন অভিলাষ। পৃথিবীর প্রান্তের দিকে ক্রমাগত হেঁটে যাওয়া, হাঁটতে হাঁটতে মানবপরিবারে মিশে যাওয়ার আকাঙ্খা লালন করে ঢুকে পড়ি। ওজন স্তরের ক্ষতির ভয়াবহতা উপলব্ধি হলে খাদ্য, বস্ত্র, জল, শষ্য ইত্যকার যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে, তজ্জন্য গ্লানি, অপমান, বেদনা, বিবমিশা, ক্রোধ যেন স্খলনের কারণ না হয়, বরংঞ্চ এই অনুসঙ্গ গুলিই যেন বিপুল প্রেরণা হয়ে রক্তপাত ঘটাবার দিনে ফিরে আসে। আমাদেরকে নতুন প্রণোদনা সৃষ্টির প্রয়াসে এগোতে হবে, সম্মিলিত শক্তিতে আস্থা স্থাপন করে পৌছাতে হবে।
“দ্রোহ” দ্রোহী ভাবনায় ভাবিত হতে চায়, করতে চায়। ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনের এই যে বয়ে চলা, আমরা তা অস্বীকার করে পেতে চাই স্পর্শের আনন্দ, ঘ্রাণের স্বাদ। আমরা আঘাত এলে পালিয়ে না গিয়ে প্রতি আঘাত করতে বদ্ধ পরিকর, অথবা আঘাতের প্রয়োজনীয়তা দেখলে আমরাই যেচে আঘাত করতে ব্রতী হতে চাই। চোখ বন্ধ রাখলে অন্ধকার থাকবেই, খোলা চোখে অন্ধকার তাড়িয়ে আমরা পুনর্বার মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই “সবার উপরে মানুষ সত্য”।
“নতুন সূর্যোদয়” এর একটি প্রকাশনা“দ্রোহ”। বিপ্লবের নন্দিত ভাবনার সাথে মননশীলতার ক্ষেত্রও আমরা প্রসারিত করতে চাই। এতে আপনারা লিখবেন, যারা খানিকটা ভাঙ্গার স্পৃহা হৃদয়ে লালন করে তাদেরকে আমাদের সাথী হওয়ার আমন্ত্রন।
নতুন প্রজন্মের প্রিয় ঠিকানা দ্রোহ এখন সম্পূর্ন স্বতন্ত্রভাবে, নতুন আংগিকে, বর্ণিল সজ্জায়। দ্রোহ পড়ুন, দ্রোহে লিখুন এবং দ্রোহকে ছড়িয়ে দিন দিকে দিকে।
আমরা মাড়াতে চাই, অতিক্রমের লক্ষ্যে আমরা শুধু স্বপ্ন দেখি না, স্বপ্নের ক্যাথা ছেড়ে প্রকৃত মাটিতে হাঁটার পর্ব শুরু করি। কাঠামো অবকাঠামোর মধ্যে পচনের ব্যথিতের দায়ভার কাঁধে তুলে নিতে রাজী নই, উৎখাতের নতুন মন্ত্র পড়িয়ে পচন উন্মুখ জাতিকে দিতে চাই শুদ্ধতার স্বাদ। দেয়ালের শ্যাওলার আড়ালে ফর্সা রঙ পুনরায় পাওয়া না গেলে নির্লিপ্ততায় হারিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে চুনকামের নতুন মালমসলা তৈরীতে আমরা মনোযোগী হতে চাই। লেবু চিপসানো তেতো তর্কে না জড়িয়ে আমরা মনুষ্য জিজ্ঞাসার কারণ অনুসন্ধান করে জানাতে চাই অদৃশ্য কোন শক্তি নয়, আমাদের মাঝে লুপ্ত যে শক্তি তাই আমাদের মঞ্জিলে পৌছাবে। মানুষের অস্তিত্বের উপর আস্তা রেখে তাদেরে আমরা বিল্পবের নন্দিত ভাবনায় ভাবিত করাতে চাই।
অতিজাগতিক মোহগ্রস্ততা ত্যাগের বাসনা রাখি। ইন্দ্রিয়জ ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি ভ্রমন অভিলাষ। পৃথিবীর প্রান্তের দিকে ক্রমাগত হেঁটে যাওয়া, হাঁটতে হাঁটতে মানবপরিবারে মিশে যাওয়ার আকাঙ্খা লালন করে ঢুকে পড়ি। ওজন স্তরের ক্ষতির ভয়াবহতা উপলব্ধি হলে খাদ্য, বস্ত্র, জল, শষ্য ইত্যকার যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে, তজ্জন্য গ্লানি, অপমান, বেদনা, বিবমিশা, ক্রোধ যেন স্খলনের কারণ না হয়, বরংঞ্চ এই অনুসঙ্গ গুলিই যেন বিপুল প্রেরণা হয়ে রক্তপাত ঘটাবার দিনে ফিরে আসে। আমাদেরকে নতুন প্রণোদনা সৃষ্টির প্রয়াসে এগোতে হবে, সম্মিলিত শক্তিতে আস্থা স্থাপন করে পৌছাতে হবে।
“দ্রোহ” দ্রোহী ভাবনায় ভাবিত হতে চায়, করতে চায়। ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনের এই যে বয়ে চলা, আমরা তা অস্বীকার করে পেতে চাই স্পর্শের আনন্দ, ঘ্রাণের স্বাদ। আমরা আঘাত এলে পালিয়ে না গিয়ে প্রতি আঘাত করতে বদ্ধ পরিকর, অথবা আঘাতের প্রয়োজনীয়তা দেখলে আমরাই যেচে আঘাত করতে ব্রতী হতে চাই। চোখ বন্ধ রাখলে অন্ধকার থাকবেই, খোলা চোখে অন্ধকার তাড়িয়ে আমরা পুনর্বার মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই “সবার উপরে মানুষ সত্য”।
“নতুন সূর্যোদয়” এর একটি প্রকাশনা“দ্রোহ”। বিপ্লবের নন্দিত ভাবনার সাথে মননশীলতার ক্ষেত্রও আমরা প্রসারিত করতে চাই। এতে আপনারা লিখবেন, যারা খানিকটা ভাঙ্গার স্পৃহা হৃদয়ে লালন করে তাদেরকে আমাদের সাথী হওয়ার আমন্ত্রন।
নতুন প্রজন্মের প্রিয় ঠিকানা দ্রোহ এখন সম্পূর্ন স্বতন্ত্রভাবে, নতুন আংগিকে, বর্ণিল সজ্জায়। দ্রোহ পড়ুন, দ্রোহে লিখুন এবং দ্রোহকে ছড়িয়ে দিন দিকে দিকে।
Subscribe to:
Posts (Atom)